No Widgets found in the Sidebar

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানি

Byadmin

Dec 17, 2022 , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,
বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানি



বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানি 



বর্তমান সময়ে এসে ঔষধ মানুষের কাছে এতো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে, যে আপনি ৩দিন না খেয়ে থাকতে পারলেও ঔষধ ছাড়া ১ বেলাও থাকতে থাকতে পারবেন না।

অর্থ্যাৎ , ঔষধ দৈনিন্দন জীবনের কম বেশি সবারই একটি অভিচ্ছেদ্ধ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস, পেশার, ক্যান্সার রোগী তারা তো ঔষধ ছাড়া চলতেই পারে না।

পূর্বে একটা সময় ছিলো যখন আমাদের দেশের মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যেতো। কিন্তু বর্তমানে সে অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে।

কারন, এখন চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ঔষধসহ আধুনিক মেডিক্যাল সামুগ্রী এখন নিজ দেশেই তৈরি হচ্ছে। যার ফলে চিকিৎসায় ব্যবহুলতা কমে চিকিৎসা সেবা আরো নিশ্চিত হয়েছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ২৫০র অধিক ঔষধ কোম্পানি রয়েছে। যারা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে ঔষধ রপ্তানি করার মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরোও শক্তিশালী করচ্ছে।

তবে এই সকল কোম্পানিগুলোর মধ্যে শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানি নিয়ে আমাদের সাইটের আজকের এই আয়োজন-  তো চলুন শুরু করা যাক—-

 

১০. ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানির মধ্যে এই কোম্পানিটির অবস্থান ১০ নম্বরে।

ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ১৯৮৩ সাল থেকে।

শুরুতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায় চললেও পরে তারা নিজস্ব প্রডাক্ট তৈরি করা শুরু করে।

ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন ডাঃ এমএম আমজাদ হোসাইন এবং কোম্পানিটির বর্তমান ম্যানিজিং ডিরেক্টর হলেন এম এ হায়দার হোসাইন।

ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ১৪টি দেশে তার বিশ্বমানের ফিনিশড পণ্য রপ্তানি করচ্ছে।

আপনি জানলে অভাক হবেন, বাংলাদেশে তারাই প্রথম কোনো কোম্পানি যারা সফট ক্যাপসুল প্রবর্তন করে।

ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালে প্রচলিত ঔষধের পাশাপাশি হারবাল এবং ইউনানী ঔষধও তৈরি করচ্ছে।

বর্তমানে এই কোম্পানিতে প্রায় ৬ হাজার কর্মী কাজ করচ্ছে।

 

০৯.অ্যারিস্টো ফার্মা লিমিটেড

প্রিয় ভিউয়ার্স, বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানির মধ্যে অ্যারিস্টো ফার্মার অবস্থান ৯ নম্বর।

দেশবাসীকে সাশ্রয়ী মূলে মানসম্পন্ন ঔষধ সরবরাহের সৎ প্রতিশ্রুতি নিয়ে ১৯৮৬ সালে কোম্পানিটির যাত্রা শুরু হয়।

অ্যারিস্টো ফার্মা লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন হাসান কর্পোরেশনের মালিক এম এ হাসান।

কোম্পানিটি বাংলাদেশের ১ নম্বর চক্ষু প্রস্তুতকারক কোম্পানি। বর্তমানে এই কোম্পানির ২৫০ ব্রান্ডের ঔষধ বাজারে পাওয়া যায়।

অ্যারিস্টো ফার্মা লিমিটেড দেশের চাহিদা মিটিয়ে ৫টি মহাদেশের ৩০টি দেশে ঔষধ রপ্তানি করে থাকে।

বর্তমানে এই কোম্পানিতে ৭ হাজার কর্মী কাজ করচ্ছে।



০৮.এসিআই লিমিটেড বাংলাদেশ লিমিটেড 

এডভান্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি বা এসিআই কোম্পানি প্রতিষ্টিত হয় ১৯৯২ সালে। কোম্পানিটি বাংলাদেশের সব থেকে পরিচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি।

এটি একটি শিল্প গুরুপ যারা একাধারে ঔষধ, রাসায়নিক, ভোগপণ্য, কৃষি, মটর,খাদ্যপণ্য, ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতিসহ ইত্যাদি অনেক পণ্য তৈরি করে।

এটি মূলত একটি পাবলিক কোম্পানি যার চেয়ারম্যান মিঃ এম আনিসুদ্দৌলা।

বর্তমানে এসিআই কোম্পানিতে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মী রয়েছে। কোম্পানিটির ২৫০ ব্রান্ডের ঔষধ বাজারে রয়েছে ।

দেশের চাহিদা মিটিয়ে ৪টি মহাদেশের ৩০ টি দেশে ঔষধ রপ্তানি করচ্ছে এসিআই।  এছাড়াও আফ্রিকা ও মধ্য আমেরিকার ১৫ টি দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য রেগুলেটরি কার্যক্রম চালু করেছে কোম্পানিটি।

আপনি জানলে অভাক হবেন, এসিআই কোম্পানি প্রথম বাংলাদেশি কোম্পানি যেটি ১৯৯৫ সালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরুপ ISO সার্টিফিকেট পায়।

২০২০-২১ অর্থবছরে কোম্পানিটির বিক্রি ছিল প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার মতো।

 

০৭. একমি ল্যাবরেটরিজ বাংলাদেশ

একমি ল্যাবরেটরিজ বাংলাদেশের সফল ও সনামধন্য ঔষধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি।

বাংলাদেশে বিশ্বমানের এবং উচ্চমানের ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য উৎপাদনের জন্য কোম্পানিটি দেশিও গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি বিদেশেও প্রশংসিত হয়েছে।

মিং হামিদুর রহমান সিনহান ১৯৫৪ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুর দিকে কোম্পানিটির কার্যক্রম নারায়ণগঞ্জে থাকলেও পরে তা কল্যানপুর এলাকায় শিফট করা হয়।

একমি ল্যাবরেটরিজ বাংলাদেশে বিস্তৃত থেরাপিউটিক বিভাগগুলো কভার করে বিভিন্ন ডোজ ফর্মে ৮০০ এর বেশি পণ্য তৈরি করচ্ছে।

এর মধ্যে সংক্রমণ বিরোধী, কার্ডিওভাসকুলার, অ্যান্টিডায়াবেটিক, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, সিএমএস, শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হরমোন এবং স্টেরয়েড ইত্যাদি।

একমি ল্যাবরেটরিজ স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরের বাজারেও ঔষধ রপ্তানি করে থাকে। তারা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যে আমেরিকার কয়েকটি দেশে ঔষধ রপ্তানি করে থাকে।

বর্তমানে এই কোম্পানিতে ৭ হাজারেরও বেশি কর্মী রয়েছে।

 

০৬. এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

এসকেএফ কোম্পানি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি। এটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি যা ১৯৯০ সালে জনাব লতিফুর রহমান স্যার প্রতিষ্ঠা করেন।

বিগত ৩১ বছর ধরে এসকেএফ বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বে বিশ্বমানের প্রতিকৃতি হিসেবে তার নাম প্রতিষ্ঠা করেছে।

এরা মানব ঔষধ বাদেও বিভিন্ন প্রাণীর ঔষধ, পুষ্টি বর্ধক ইত্যাদি ঔষধসহ থেরাপিতে ব্যবহৃত ঔষধ তৈরি করে থাকে।

এসকেএফ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ৬৫টি দেশে  তাদের ঔষধ রপ্তানি করে থাকে। এই কোম্পানিটির বর্তমান রেভিনিউ ৩০০ মিলিয়ন ডলার।



০৫. রেনেটা লিমিটেড 

রেনেটা লিমিটেড বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় এবং দ্রুত বর্ধনশীল ফার্মাসিউটিক্যালস এবং পশু স্বাস্থ্য কোম্পানি।

কোম্পানিটি ১৯৭২ সালে ফাইজার লিমিটেড নামে নিজের কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে ফাইজার তার বাংলাদেশের কার্যক্রমের মালিকানা স্থায়ী শেয়ার হোল্ডারদের কাছে হস্তান্তর করে এবং কোম্পানিটির নাম পরিবর্তন করে দেওয়া হয় রেনেটা লিমিটেড।

বর্তমানে রেনেটার হেডকোয়ার্টার ঢাকার মিরপুরে।

রেনেটা লিমিটেড প্রথম মানুষের ঔষধ নিয়ে কাজ করলেও পরে তারা পশু স্বাস্থ্য পণ্য নিয়েও কাজ করা শুরু করে।

বর্তমানে রেনেটা লিমিটেড ৪র্থ বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এবং পশু স্বাস্থ্য পণ্যের বাজারে শীর্ষস্থানীয়।

রেনেটার পণ্য যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনামসহ ১৭টি দেশে নিজের পণ্য রপ্তানি করে।

কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়েছে যার বাজার মূলধন ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার।

রেনেটা লিমিটেড সারাদেশে ১৯টি ডিপো দ্বারা পণ্য বিতরণ করে এবং ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ কোম্পানিটির বিভিন্ন স্তরে কাজ করচ্ছে।

 

০৪ অপসোনিন ফার্মা

অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এবং আধুনিক ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি।

১৯৫৬ সালে জনাব আব্দুল খালেক খান অপসোনিন ফার্মা প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটির উৎপাদন কারখানাটি বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে ৫০০ একর জমি নিয়ে বিস্তৃত।

০৩. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড 

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড হলো একটি উদীয়মান জেনেরিক ড্রাগ প্লেয়ার যা সাশ্রয়ী মূল্যের ঔষধের অ্যাক্সেস প্রধানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কোম্পানিটির অত্যাধুনিক উৎপাদন সুবিধাগুলি অন্যান্যদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা এবং ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ দ্বারা স্বীকৃত হয়েছে এবং উন্নত বাজারে নিজের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। 

যদিও ১৯৭৬ সালে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে তাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ সাল থেকে।

বেক্সিমকো ফার্মা ধারাবাহিকভাবে তার পোর্টফোলিও তৈরি করেছে এবং বর্তমানে বিস্তৃত  থেরাপিউটিক বিভাগগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে ৪০০টিরেও বেশি পণ্য উৎপাদন করচ্ছে। এদের মধ্যে এইডস, ক্যান্সার, অ্যাজমা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি।

কোম্পানিটির সদর দপ্তর ধানমন্ডিতে এবং এর বর্তমান ম্যানেজিং ডিরেক্টর হলেন নাজমুল হাসান পাপন।

কোম্পানিটির বিভিন্ন স্তরে ৪৭০০ জন মানুষ কর্মরত রয়েছে।

২০১৮ সালের তথ্যমতে বেক্সিমকোর মোট রেভিনিউ ২২.৮ বিলিয়ন ডলার এবং নেট ইনকাম প্রতিবছর ৩ বিলিয়ন ডলার।

বেক্সিমকো ফার্মা এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে ঔষধ রপ্তানি করে যাচ্ছে।

 

০২. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানির মধ্যে সেরা ২ এ রয়েছে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস। কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে আব্দুল মুক্তাদির ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং এটির বিশাল ফ্যাক্টরি ঢাকার কাছে সাভার ও ধানমন্ডিতে। এর প্রধান অফিস ঢাকার তেজগাঁও এলাকায়।

শুরুর দিকে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস বাংলাদেশের জন্য ঔষধ তৈরি করতো। কিন্তু বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ৭৪টি দেশে তারা ঔষধ রপ্তানি করে থাকে।

২০২০ সালের তথ্যমতে তাদের মোট রেভিনিউ ছিলো ৩২৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডে আনুমানিক ৭ হাজারেও বেশি মানুষ কর্মরত রয়েছে।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড সাধারণ ক্যাপসুল, ট্যাবলেট, নাকের স্প্রে, চোখের ড্রপ, হিউম্যান ভ্যাকসিন ইত্যাদি ঔষধ তৈরি করে থাকে।



০১. স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড হলো বাংলাদেশের শীর্ষ বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এবং এটি ১৯৮৫ সাল থেকে সব জাতীয় ও বহুজাতিক কোম্পানির মধ্যে ১ম স্থানে রয়েছে।

স্যামসন এইচ চৌধুরী এবং তার ৩ বন্ধু মিলে ১৯৫৮ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯১ সালে এটি একটি পাবলিক কোম্পানিতে রুপান্তরিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়।

২০১৯ সালের তথ্যমতে কোম্পানিটির মোট ইনকাম ছিলো ১৫৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

বর্তমানে এই কোম্পানিতে ৭৩৯০ জন কর্মী কর্মরত রয়েছে।

দিগন্তের ওপারে তাকিয়ে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড বিশ্ববাজারের হাইওয়ের দিকে তার পরিষেবার পরিসর বাড়িয়েছে। এটি ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ থেকে ঔষধ রপ্তানিতে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে এবং অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য ঔষধ রপ্তানি করে আসচ্ছে। বর্তমানে ৪২টি দেশে তাদের তৈরি করা ঔষধ রপ্তানি করচ্ছে। 

গুণে মানে সকল দিক দিয়ে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা পেয়েছে।

 

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ঔষধ কোম্পানি নিয়ে এই পোস্টটি এই পর্যন্তই। দীর্ঘ সময়ে আমাদের পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। আপনার হাতে যদি কিছু সময় থাকে তাহলে আমাদের সাইটের অন্য পোস্টগুলোও পড়তে পারেন।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *